Breaking

Tuesday, October 22, 2019

Jokes @@@@@@@@@@ মায়াবিনী – সিজন-২ ! @@@@@@@@@@ Best Education Page Jokes

Jokes @@@@@@@@@@ মায়াবিনী – সিজন-২ ! @@@@@@@@@@ Best Education Page Jokes
“আপা এই জীবনে আমার পক্ষে একমুহূর্তও চলা সম্ভব নয় ওকে ছাড়া। তাই নিজে থেকেই ধরণীকে বিদায় জানালাম। আমার সুপ্তটাকে দেখে রেখো…!
-অয়নী”

সাথী অয়নীর ঘরে এসে দেখে টেবিলের ওপরে এই চিঠি রাখা। দম বন্ধ হয়ে আসছে সাথীর। অয়নীকে ডাকতে লাগলো চিৎকার করে। কিন্তু কোনো সাড়া শব্দ নেই। চারিদিকে এক অদ্ভুৎ নিরবতা বিরাজ করছে…!

কেমন যেনো একটা পরিবেশ। মনে হচ্ছে এই বুঝি কিছু একটা ঘটে গেলো.. ঘটার আর কিই বা বাকী আছে…!

অয়নীকে প্রায় পাগলের মতে সাথী খুঁজতে লাগলো..। এ ঘর থকে ও ঘর। বারান্দায় দেখলো। নাহ্ সেখানেও অয়নী নেই। সাথী দ্রুতো বাগানে গেলো সেখানেও নেই অয়নী। সাথীর মাথাটা বারবার ঘুরে উঠছে…। নিজের কাছেই অপরাধ বোধ লাগছে ওর..! নিজেকেই দোষারোপ করতে লাগলো বারংবার সে..! ভাবছে হয়তে অয়নীকে চোখে চোখে রাখা উচিৎ ছিলো…!

দৌড়ে দাড়োয়ানের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো,

: আচ্ছা অয়নী কি বাইরে গেছে…?

: না, ম্যাডাম..

: এদিকে কোথাও এসেছিলো কি…?

: না, ম্যাডাম

: ওকে আজ দেখেছেন সকাল দেখেছেন কি…?

: না, ম্যাডাম..

: (চিল্লিয়ে উঠে) তাহলে কি করেন সারাদিন। যাই বলি ওই একই উত্তর কেনো না,, না,, না,, কোনো কাজ নেই…আপনার মুখ থেকে না শোনার জন্য কি এখানে চাকরি দেওয়া হয়েছে…! সারাদিন তো তেমন কাজ থাকেনা…একটু লক্ষ্য রাখা যায়না চারিদিকে…হ্যা…যাই জিজ্ঞেস করি ওই একই উত্তর না ম্যাডাম….পজেটিভ কিছু কি আশা করতে পারিনা আপনার কাছ থেকে হা…. একটু কাজে মনোযোগী হওয়া যায়না….বুঝি না কি করেন আপনারা সারাদিন…..! হ্যা….!

সাথীর জোরে বকা দিলো দাড়োয়ানকে। দাড়োয়ান ভয়ে কাপছিলো। কখোনো সাথীর এই রূপটা তারা দেখেনি…! দেখার কথাও না….! দাড়োয়ান সব থেকে ভয় পেয়েছি ভেবেছে এই বোধয় চাকরিটা গেলো। এখন পরিবার কে কি খাওয়াবে সে…!

কাপা স্বরে দাড়োয়ান বলে উঠলো

: স..সরি..ম্যাডাম। আমারর ভূল হয়ে গেছে। আমাকে ক্ষমা করে দিন ম্যাডাম। ম্যাডাম আমার ভূল হয়ে গেছে। কথা দিচ্ছি ম্যডাম আর ভূল হবেনা আমার….ম্যাডাম আর হবেনা এমন..!

সাথীর কানে এখন কোনো কথায় ঢুকছেনা..! অয়নীর চিন্তায় বিভোর। হঠাৎ মনে হলো, অয়নী বেঁচে আছে তো..! বুকটা ক্ষনকালের জন্য কেপে উঠলো….! কি হবে তাহলে এখন….!!!!

সেখানে আর কথা না বাড়িয়ে সাথী চলে আসছে..ভাবছে দাড়োয়ানকে ওভাবে না বলাটাই ভালো ছিলো….মাথায় হাজারো চিন্তা নিয়ে রাস্তায় হাটছে।।

আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলছিলো সাথী। এমন সময় বাড়ির ছাদের দিকে নজর আটকে গেলো ওর। ভাবছে, ” আচ্ছা সবজায়গাতো খুঁজলাম ওখানটা বাদ দিয়ে…! কোনোভাবে ওখানে যায়নি তো অয়নী.! হায় আল্লাহ্‌ তাহলে তো সর্বনাশ। আর একমুহূর্ত বিলম্ব না করে অয়নী দ্রুত চলে গেলো ছাদে…

ছাদের দোড়গড়ায় পা রাখতে না রাখতে দেখলো অয়নী ছাদের রেলিং এর ওপর ঝুকে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে..আর মনে মনে কি বলছে..!

সাথী দৌড়ে সেখানে গেলো। পৌছাতেই শুনতে পেলো অয়নী ছাদ থেকে ঠিক যেখানে নীল রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলো সেখানে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলছে….,

” তেমন কিছু তো চাইনি নীল আমি তোমার কাছে…! এতটাই ভারী হয়ে গেলো আমার চাওয়াটা…! চেয়েছিলাম একসাথে জোৎস্নরাতে বসে থাকবে… বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় গন্তব্যহীন পথে হেটে চলবো আমরা দুজনে…! একসাথে বসে মেঘমালার সাথে আকাশের মান অভিমান দেখবো,,

ওই নদীর তীরে তোমার কাধে মাথা রেখে পড়ন্ত বিকেলে পাখীদের নীড়ে ফেরা দেখবো.. বহমান নদীর স্রেতের সাথে নিজেদের কষ্টগুলোকেও ভাসিয়ে দেবো অজানা গন্তব্যের উদ্দেশ্য…

একসাথে জীবনের সকল চাওয়া,, না পাওয়া গুলোকে পুরণ করবো। কথা দিয়েছিলে তুমি। কিন্তু কি হলো…..!

ভূলে গেছো কি….! এটাতো কথা ছিলোনা নীল। ভূলে গেলে কেনো তুমি আমাকে….এত বড় শাস্তি কেনো দিলে আমাকে….এক টুকরো সুখ চেয়েছিলাম তোমার কাছে আর কিছুই চাইনি আমি,, আর তুমি কি করলে…..!

প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলাম আমরা। সবকিছু এতোদ্রুতো ভূলে গেলে….! কেনো নীল..কেনো….! আচ্ছা নীল একটা কথা বলতে পারো আমি কি সত্যিই এতোটা ভারী সবার কাছে…! আমার চাওয়াগুলো কি তাহলে অন্যায় ছিলো.. কই তখন তো বলোনি আমাকে…!

আরে নীল….তোমার তো বুকের বামপাশে হৃদয়েরর ঠিক কয়েক সেন্টিমিটার দূরে বুলেট লেগেছে…তাই তুমি চলে গেলে আমাকে ছেড়ে….!

আর ওটাতো দৃশ্যত বুলেট তাই সবাই দেখতে পেয়েছে..কিন্তু আমি…! আরে আমার বুকের বামপাশটাতে অজস্র বুলেট লেগেছিলো যখন তোমার বুক থেকে গড়িয়ে পড়া রক্ত আমার মেহেদীর রঙে রাঙ্গানো হাত স্পর্শ করেছিলো…!

আমারও বুকের বাম পাশটাতে গভীর ছিদ্র হয়ে গেছে। কিন্তু কেও তা দেখতেও পাচ্ছেনা আর পাবেওনা…কারন সেটা অনুভবের শক্তিটা যে শুধু তেমারই আছে নীল…!!

নীলহীন এই ধরণীতে অয়নীর অস্তিত্ব কখনো থাকতে পারেনা….! তাই আমিও আসছি নীল……”

ছাদের রেলিং এর আরে কাছে চলে গেলে ও। সাথী ওর কথাগুলো এতক্ষণ শুনছিলো আর নীরবে চোখের জল ফেলছিলো…!

এবার দ্রুত অয়নীকে ধরে ছাদের কিনারা থেকে সরিয়ে নিয়ে আসলো,,

: অয়নী…! পাগল হয়ে গেছো কি তুমি….কি করছিলে এটা তুমি…..??

: কেনো আমার নীলের কাছে যাচ্ছি…!

: মাথা খারাপ হয়ে গেছে তোমার…নিচে চলো…!

: মাথা…..! সেটা কি আর আদৌ আছে আর আমার ….!

: তুমি এখন এটা কি করছিলে,,,ধারনা আছে তোমার….!

: নীল হীন এই ধরণীর মায়া কাটাতে চেয়েছিলাম….!

: আর সুপ্ত…! তার কথাও কি ভূলে গেছে তুমি… সুপ্তর কথাও ভাবলেনা….!

: আ..আ..আমার সুপ্ত…আমার সুপ্ত….!

বলতে অয়নী অজ্ঞান হয়ে গেলো ওখানে….!

অয়নী বিছানায় অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। সাথী স্থীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে অয়নীর মুখের দিকে..! সাথী ভাবছে, কি থকে কি হয়ে গেলো। আমার ভাইটা চলে গেলো…! কিভাবে হলো এগুলো…! গতকাল এই সময়ও ও আমার সাথে হাসাহাসি করছিলো…গল্প করছিলো কিন্তু আজ…..!!! আল্লাহ্‌ তুমি এতো কিছু কি করে সহ্য করো..কিভাবে মেনে নাও অন্যায়গুলো….! অয়নীর জীবনটা এমন তো না হলেও পারতো। সত্যিই তো ও তো কিছু চাইনু..শুধু চেয়েছিলো একটুকরো ভালবাসা আর নীলের সাথে সারাটা জীবন কাটিয়ে দিতে….! সুপ্ত…!!!!! সে তো এখনও বুঝতেই পারছেনা সে কি হারিয়েছে…ভাবছে তার বাবাই হয়তে আজও কাজের চাপে অফিস থেকে আসতে পারবেনা…অন্যদিন গল্প শুনবে তার কাছে….আর আমি…..!!! কি দোষ করেছিলাম যে আমার ভাইকে হারাতে হলো…স্বচক্ষে নিজের প্রাণটাকে দেখেছি মাটিতে লুটিয়ে পড়তে….! দেখেছি রক্তের বন্যা বয়ে যেতে…! আমাকেই বা কেনো বাচিঁয়ে রাখলে জানতে পারি….! আর ওরা….তারা তো ঠিকই বেঁচে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে..! চলছে ফিরছে….!

সাথী চোখের জল মুছতেছে আর মনে মনে প্রলাপ বকে চলেছে…অবশ্য এটা ছাড়া কিইবা করবে এখন সে…! একজীবনে এতেগুলো দৃশ্য দেখার পর কেও হয়ে যায় মেন্টালি ডিসওডার্ড আর কেও হয়ে যাই শক্ত,,,পাথরে ন্যায় শক্ত….! সাথী ঠিক সেটায় হয়েছে….!!

রাতের বেলা, বাইরে জোনাকি পোকার ঝি.. ঝি… ডাক শোনা যাচ্ছে দূরে.. শেয়াল হেকে চলেছে… শহরে বেশিরভাগ জায়গাতে রাতের বেলাতে মনে হয় শোয়ালেরা মোহড়া করে….!!

দরজায় আওয়াজ হলো। সাথী তাকিয়ে দেখলো দোরগোড়ায় ওদের কাজের লোক রহমত মিয়া দাড়িয়ে…! সাথী তাকতেই উনি বলে উঠলো

: খালা আসবো….!

: জ্বী মামা আসুন…

: (চুপ করে দাড়িয়ে আছে)

: কিছু বলবেন…

:(মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে। মনে হলো কোনো কথা কানে ঢুকলো না)

: মামা…কিছু বলতে চাইলো বলতে পারো…..!

: ইয়ে খালা ইকটা কতা আছিলো,,

: (দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে) হু..বলুন…

: খালা..

: হুম,,বলুন..

: আমি কাইলকে চইলে যাবো গেরামের বাড়ি….!

: ওওও…ঠিক আছে…

: ( সাথীর দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে..)

: তা..কবে ফিরবেন কিছু ঠিক করেছেন….?

: ফিরমুনা আর….!!

কথাটা শুনে সাথী নিস্তব্ধ হয়ে গেলো…। মাথার ওপরে পাখা ঘুরছে…! বাইরে জোনাকি পোকার ঝি ঝি ডাক শোনা যাচ্ছে। আর চারিদিকে শুনশান নিরবতা…! কেমন যেনো একটা পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিলো….! ইচ্ছে হচ্ছলো বুক ফেটে চিৎকার করে কেঁদে উঠি। সাথী নিজেকে সামলে নিয়ে বললো,

: মামা….!!!

: জ্বী খালামনি…!

: হঠাৎ এরকম ভাবনা..!

: চোখের কোনে অশ্রু লোকানোর ব্যার্থ্য চেষ্টা করে বললো, এমনিই খালামনি…!

: শান্ত গলায় সাথী বললো, সত্যিই কি তাই মামা….!

: এতক্ষণ পর রহমত মিয়া ডুকরে কেঁদে উঠলো,,,আর সাথীর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পড়লো, খালা ও খালা গো,,, খালামনি আমার নীল মামা…..!! রহমত মিয়া বুক ফাটা চিৎকার করে বলে উঠলো, আমার নীল মামা…আমার মামা….ও নীল মামা….!! তুমি চইলা গেলা কেন…আমি কেমনে থাকুম তেমাকে ছাড়া….ও নীল মামা….মামাগো…মামা….তুমি আমার বুকটা ফাকা করে দিয়া কেন চইলা গেলা…..!

চারিদকে হঠাৎ মনে হলো জোনাকি পোকারা থেমে গেলে…শেয়ালরাও আর আর্তনাদ করছেনা…! শুধু রহমত মিয়ার বুক ফাটা গগন বিদীর্ণ করা আর্তনাদ আর তার প্রতিধ্বনি ভেসে আসছে…! সাথীর চোখ দিয়ে অশ্রু বয়ে চলেছে…শত ইচ্ছেতেও থামাতে পারছেনা তা…ঘটনার পর থেকে ভেবেছিলো নিজেকে শক্ত করবে কিন্তু পারলনা…! কাদঁতে কাঁদতে সাথীর পায়ের কাছে বসে পড়লো…..!

কিছুক্ষণ পর নিরবতা ভেঙ্গে সাথী বলে উঠলো,

: মামা…উঠুন…!

: (রহমত মিয়া নিচে বসে অনবরত চোখের জল ফেলে চলেছেন….! মনে হলো যেনো সাথীর কথাগুলো কানে প্রবেশের হাজার চেষ্টা করেও পারলনা…!

: মামা…! উঠুন..!

: উঠে দাড়িয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে চোখের পানি সরাতে সরাতে বললো, জ্বী খালা,,

: মামা আপনি কেনো চলে যাবেন…!

: খালা..হেই ছোট্টকাল থেকে মু নীল মামাকে নিজ হাতে মানুষ করেছি…দেহেন এই দুই হাতে এহোনো মামার ছোয়া লাইগ্যা আছে….!

: জানি মামা…আপনিই তো ওর অনেকটা জুড়ে ছিলেন…!

: মামা আমার সবকিছু আছিলো..উয়ারে ছাড়া আমি কেমনে বাঁচুম কন খালা….! আমি এহন এই বাড়িতে থাকতে পারতাছিনা….খালি মনে হইতাছে মামা আমারে ডাকছে কইছে,,” মামা…মামা…আমার কফি কই…! মামা আমার সন্ধ্যার নাস্তা কই,,মামা আমার ফাইলটা পাচ্ছিনা খুঁজে দাওনা…মামা আমার শার্ট কোথায়….কতবার বলেছি আলমারিতে রাখবা…তুমি তো আমার কোনো কথায় শুনবানা, বলে লাভ কি… ধূর ভাললাগেনা….কি হলো মামা আজ রাতে কি না খাইয়ে রাখবা নাকি,,খেতে দাও বলছি….!!!!!! নীল মামার এহেন কথা আমার কানে এহনো বাজতাছে…সারাবাড়িতে খালি মামারই স্মৃতি ঘুরতাছে…সব জায়গায়….বুঝতাছিনা কই দাড়াইলে শান্তি পামু….! কই থেকে মনে হইতাছে মামার কথাগুলা ভাইসা আসছে…!

: সাথী চুপ করে আছে।। আর ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছে। ওই একই শব্দ যে সাথীকেও তাড়া করে বেরুচ্ছে….! খুঁজে ফিরছে সে শব্দের উৎস কিন্তু পাচ্ছেনা…

: খালা আমি আর পাতাছিনা কাল সকালের বাসেই চইলা যামুগা

: মামা তুমি চলে গেলে আমার কি হবে সুপ্তর কি হবে…! সুপ্তও তো তোমাকে একমুহূর্তের জন্য কাছ ছাড়া করেনা..! সারাদিন তোমার ঘাড়ে চড়ে ঘোরে,,বাগানে যায়,,সবজায়গাতে….

: রহমত মিয়া সহসা কোনো উত্তর দিতে পারলনা…! চোখ অন্যদিক করে জল ফেললো..!

: ওখানে তো তোমার কেও নেই..নাতি-নাতনি আছে ওরা তো কেও চেনেওনা,,, তুমি তো ওখানে গেলে মারা যাবা…

: খালা এইহানে থাকলে মুই তে ওহোনই মইরা যামু…দম বন্ধ হইয়া আসতাছে…. শরীরে কেমন কইরা উঠছে..ওইডে আপন গেরাম..কেও না কেও আছে….! না থাকলেও সারাদিন কিছু কইরা কাটাই দিমু.. রাইতে বেলায় কেও না কেও ভাত দিবেনি ওইডাতেই চইলা যাবে…!

: মামা…!!!

: হ খালামনি…!! তয় আমি কিন্তু মাঝে মাঝে আসবো..তোমাকে দেখতি আমার সুপ্ত ভাইকে দেখতি,,,আমার অয়নী আম্মাজান কে দেখতি…!

: সাথী বুঝতে পারলো রহমত মিয় সব থেকে বেশি কষ্ট পেয়েছে…ছোটো থেকে নিজ হাতে ওকে মানুষ করেছে আর সেই হাতেই নীলের রক্ত স্পর্শ করেছে….! এটা মেনে নেওয়া কারোর পক্ষেই সম্ভব না…বিশেষ বাধা দিলোনা আর। কয়েকদিন সেও ঘুরে আসুক নিজের গ্রাম থেকে। মনটা হালকা হোক। তারপর নিজে গিয়েই নিয়ে আসবে।

: খালামনি…

: হুম…

: আমি কাইল ভোরে চইলা যামু….! সব রান্দাবাড়া কইরে দিছি..!

: মামা পর করে দিচ্ছো কেনো এভাবে…!

: না খালা..!।

: কখন যাবে কাল..!

: সকাল সাতটের সময় ফাস্ট বাস যাইবে…ওইডেতেই..!

: দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে, যাওয়ার সময় আমাকে একবার ডেকো..!

: ঠিক আছে..!

রহমত মিয়া বাইরে যেতেই সাথী আবারও ডুকরে কেঁদে উঠলো…!
টিনা সুপ্তকে নিয়ে অন্য ঘরে ঘুমিয়ে গেছে….! ও আর বাড়ি ফেরেনি….

সাথী গভীর নিদ্রাই আচ্ছন্ন,,বারাবার পরিচিত একটা কণ্ঠ কানে ভেসে আসছে…!

চোখ খুলতেই দেখে নীল একটা ব্যাগ দিয়েছিলো রহমত মিয়াকে..সেটা বুকে জড়ায়ে দাড়িয়ে আছে,,

: খালা চইলা যাচ্ছি…ডাকতে কইছিলা..

: সাথী ক্ষণকাল স্থীরচিত্তে ব্যাগের দিকে তাকিয়ে রইলো…! এখনই বাস…!

: জ্বী…!

: নীলকে ভূলে থাকার জন্য যে যাচ্ছেন তে ওর স্মৃতি নিয়ে গেলে ভূলবেন কি করে..!

: আমি এইডা ছাড়ুম না।।মামা আমাকে নিজে দোকানে নিয়া গিয়া কিনা দিছিলো…! মইরা গেলেও ছাড়মুনা এইডারে…!

: সারারাতে কাঁদতে কাঁদতে অয়নীর পাশেই ঘুমিয়ে গেছিলো সাথী। তাই চোখ লাল হয়ে গেছে। ভীষণ জ্বালাপোড়া করছে…! চোখের পাতা বন্ধ করতে পারছিলনা।।। মামা একটু দাড়ান আমি আসছি..!

: আচ্ছা..

সাথী চোখমুখ ধুয়ে ঘরে গেলো।
বেশ কিছুদিন চলবে তার থেকেও বেশি টাকা নিয়ে এসে বললো

: মামা এটা রাখেন,,

: না খালা আমি নিমুনা

: মনে করেন নীল দিচ্ছে,,,!

: খালা…!

: নীল এখানে থাকলে তো ধমক দিতো একটা, তখন তো নিতেন…!

: রহমতের চোখ ছল ছল করে উঠলো..খালা..!

: নিন..! রহমতের হাতে টাকাটা গুজে দিলো…!

রহমত আর দাড়াতে পারলনা। কাঁদতে কাঁদতে বললো

: গেলাম খালা..

: উহু গেলাম নয় বলুন আসি…

: আবারও। নীলের কথা মনে হয়ে গেলো,, নীল ও একই ভূল করতো,,

রহমত মিয়া আর দাড়ালোনা..কাঁদতে চলে গেলো..

সাথী তাকিয়ে আছে সেদিকে…!

বাড়ির আরেকজন কাজের মহিলা রহিমা এসে বললো,

: খালা জয় স্যার ফোন দিছে কি বলবে আপনাকে…!

: হু.. দাও..!

কিছুদূর সামনে গিয়ে সাথী বললো,

:ভাঙ্গা কণ্ঠে, হ্যা…ভোলা বল…
:——-
: কিহ্…..!!!!!

<<<< চলবে>>>>
ভূলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন

বিঃ দ্রঃ নিচে Next >> ক্লিক করলে পরবর্তী পর্ব পাবেন..!

👉আরো দেখে নিন
লেখাঃ নিলয় রসূল সবগুলো গল্প লিঙ্ক একসাথে পেতে এখা






People Came Here By Searching  :

Jokes, bangla golper boi, bangla jokes pdf, bengali jokes pdf, bangla jokes book pdf download, gopal bhanrer 111 hasir golpo, bangla jokes pdf free download, bangalir hasir golpo, bdjobs, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes app, school jokes, funny jokes dirty, jokes app, joke book, short funny jokes, jokes in english, dad jokes, funny jokes, jokes, jokes for kids, dirty jokes, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes dirty, short funny jokes, hilarious jokes, clean jokes, really funny jokes, good jokes, funniest jokes ever, funniest joke in the world, inappropriate jokes, short jokes, deez nuts jokes, blonde jokes, bad jokes, offensive jokes, pun jokes, mom jokes, little johnny jokes,

jokes dirty, hilarious jokes, jokes for adults, very funny jokes, funny jokes clean, seriously funny jokes, dad jokes, corny jokes, , seriously funny jokes, funny jokes clean, funny jokes dirty, i need a funny joke, very funny jokes in english, most hilarious joke, funny knock knock jokes, funny jokes for adults, , clean jokes that are actually funny, funniest clean joke ever, greek jokes clean, clean joke of the day, somewhat clean jokes, long clean jokes, edgy clean jokes, i need a funny joke, funny jokes for kids(10-11), sick kid jokes, funny jokes for kids: 100 hilarious jokes, funny jokes for kids(8-9), funny jokes for kids(10-11) in hindi, kids joke of the day, silly jokes, jokes and riddles, , silly jokes for adults, funny silly jokes, 25 silly jokes, crazy silly jokes, seriously funny jokes, very funny jokes, hilarious jokes, awesome jokes, Jokes, bangla golper boi, bangla jokes pdf, bengali jokes pdf, bangla jokes book pdf download, gopal bhanrer 111 hasir golpo, bangla jokes pdf free download, bangalir hasir golpo, bdjobs, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes app, school jokes, funny jokes dirty, jokes app, joke book, short funny jokes, jokes in english, dad jokes, funny jokes, jokes, jokes for kids, dirty jokes, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes dirty, short funny jokes, ilarious jokes, clean jokes, really funny jokes, good jokes, funniest jokes ever, funniest joke in the world, inappropriate jokesshort jokes, deez nuts jokes, blonde jokes, bad jokes, offensive , jokes, pun jokes, mom jokes, little johnny jokes

No comments: