Breaking

Tuesday, October 22, 2019

Jokes @@@@@@@@@@ দুই মেরু !! @@@@@@@@@@ Best Education Page Jokes

Jokes @@@@@@@@@@ দুই মেরু !!  @@@@@@@@@@ Best Education Page Jokes
জানো আপা?!বিয়ের দুই বছর পরও আজ অব্দি ওপাশে বসিয়ে জ্যোৎস্না দেখায়নি।ঘুম দেয় বাতি নিভিয়ে!এত বলি তবু একবারও সাথে নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজেনি!
বুঝিয়ে বল!
বলি, শোনেনা!ওর একটা নিজের আলাদা জগৎ আছে আপা,সেটার নাম কাজ!
সেখানে অরনী নামে কারো স্থান নেই!সারাক্ষণ অফিসের কাজে বিজি থাকে। মাঝেমাঝে মনে হয় একটা মেশিন বিয়ে করেছি! অরনীর চোখের পানি টপটপ করে পড়ছে।

এইতো? আর তো কিছুনা?!মানে,কোন ফিিজকাল টর্চার বা এমন কিছু?!
না! না! আপু!অরনী কেঁদে চলেছে! ওসব নয় তবে…. প্রায়ই খুব লোনলি লাগে….মনে হয় সংসারে না নির্বাসনে আছি!
কথা বলার অবসরও নেই ওর! ঘরে ফেরে শুধু ঘুমাবে বলে, বলে, খুব ক্লান্ত! পরে শুনব!
তো এখন?!তুই কি এজন্য সম্পর্কটা ভাংতে চাস?
না!না!আপু! অরনী তাৎক্ষণিক সজোরে জবাব দেয়!আমি ওকে ছাড়তে চাইনা!ও খুব ভালো আপু!আমি শুধু ওর কাছে আমার জন্য একটু সময় চাই! ওর এত সঞ্চয়,এতো ব্যস্ততা চাইনা! ওর একটু অবসর চাই! ব্যাস! ও সেটা বুঝতেই চায়না! ও বোঝেনা, ওকে খুব ভালোবাসি আমি! এসব কিছু চাই, বললেই বলে, ন্যাকামি রাখো,অরনী, রোমন্সের জন্য জীবন পড়ে আছে!এখন ওপরে ওঠার সময়।
আচ্ছা আপু,তুমি বেছে বেছে এমন হার্ড মাইন্ডেড ছেলেটা কোথায় পেলে বলত?আপু,বলতে পারো ও এতো আনরোমান্টিক কেনো?!মেয়েটার গাল বেয়ে পানির পাতলা একটা ধারা।বাবা-মা এসব কিছুই জানেনা! বলাও সম্ভব নয়!আপাই ভরসা!

পনের দিন হয় বড় আপার বাসায় এসেছে সে! এর মধ্যে একবার ফোনও করেনি তূর্য! ও করলে বলে,বিজি, অফিসে খুব চাপ!সময়,পাইনা!
তোমার কাজের ব্যস্ততার জন্য একাএকা এসেছি, এখন কি নিতেও আসবেনা?!এভাবে লোকে কি ভাবে বলোতো?!ভাবে ঝগড়া করে এসেছি!বোঝ সেটা?!
আহা! কি করব? সময় পাচ্ছিনা! চলে আসো, কি অসুবিধা?পারবেনা?! আরেহ্ শোন,দাদু ফিরেছেন, তোমার কথা জিজ্ঞাস করছেন।
তুমি আসোনা প্লিজ!
এ সপ্তাহে একেবারেই সময় নেইতো!
তাহলে পরের সপ্তাহে….
সরি, খুব টাফ!এক কাজ করো!একাই চলে আসো!ওক্কে?!এখন রাখি, মিটিং এ আছি! বাই!
শুনে অরনীর মাথা গরম হয়! এতো কিসের ব্যস্ততা? না! মেয়েঘটিত কিছু নয় তা সে জানে, সে ববিশ্বাস আছে, কারণ একটাই, তূর্য ছেলেটা খুব ক্যারিয়ার ওরিয়েন্টেড! বললেই বলে, ওসব রোমান্স পরে আগেতো সেটেল হই।পরে আমাকেই দুষবা! মেয়েমানুষ তো! শুনে মেয়েটা কখনো খুব রাগে,কখনো আবার অভিমানে ঝিমিয়ে যায়! ওর কষ্ট তবুও বোঝেনা ছেলেটা!
অরনী মোটেই ন্যাকা নয়,জীবনে টাকা-পয়সা জরুরী সে-ও মানে, তাই বলে এই রাত-দিনের এত ব্যস্ততা?!তূর্যর এই কাজ পাগলা স্বভাব তার অপছন্দও নয়, তবু স্ত্রী হিসেবে সে কি এতটুকু আব্দার করতে পারেনা?! তাহলেএই ‘না’কেনো!

আচ্ছা আমি কথা বলব ওর সাথে! নবনী জবাব দিলো!ওরা পরস্পর বেশ ফ্রি! আর ওর বিয়েটাও তিনিই দিয়েছিলেন,ছেলেটাকে ভদ্র, কর্মঠ, আর দায়িত্ববান বলেই মনে হয়েছিলো তার!কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন, ছেলেটা বড্ড বেশি প্র্যাকটিকাল! এতোটা তো আসলেই চলেনা!কি করা যায় তাই ভাবছেন!এমন সময় জরির মা ঢুকলো, পুরোপুরি বিধ্বস্ত সে, বলল, ছোড খালা, অষুদের ডিব্বাডা কই?! কাইলনা আপনে রাখলেন?!
আপুর রুমে,ড্রেসিংটেবিলের ওপর!
তোমার চোখমুখ ফোলা কেন?জরির মা! আবারও মারছে?জরির মা অবনীর প্রশ্নটার জবাব দিলো মুখ কালো করে,হ,ছোড খালা!রাইতে খাইতেও দেয়নাই! সহালেও না! কয় টেকা দে! কইত্তে দিতাম?!
কতবার বলছি, ওরে ছাড়ো! কেস করলেওতো বাঁচো!নারীনির্যাতনের মামলা করলে ওর সব জারিজুরি খতম! বাপবাপ করব তখন তোমারে!
ছি! ছি! কি কন খালা?!সোয়ামী না! বাচ্চাগুলা ছোড ছোড! বাপ ছারা ক্যামনে মানুষ করুম!
কামাই কইরাতো তো তুমিই খাওয়াও!ওই টা তো….
হেইডাতো হের কাম নাই দেইখা…থাকলে…
হইছে থামো, থামো! ওরে তুমিই এমন লাই দিয়া রাখছো! এইজন্যই এমন!
থাইক, তাও তো সে আছে, থাকলেই হইলো!বলে গতরাতের বেদম প্রহরে ফুলে যাওয়া গাল আরও ফুলিয়ে হাসার ব্যর্থ চেষ্টা করল জরির মা, তাতে নতুন কাটা ঠোঁটটা ঠেলে নতুন করে দু’ফোঁটা রক্ত বেরুল তার! বলা বাহুল্য এই কাটাটাও কালই হয়েছে, নেশার টাকা ছাড়া চলেনা জরির বাবার!
একটুপর একটা খাতা বাড়িয়ে ধরে বলল,বড় খালা, গুইনা কনতো পনরশো টেহারতে সাতশ পচাশি টেহা গেলে কত থাহে?!
সাতশ পনের টাকা!
আইচ্ছা! বলে আংগুল গুনতে গুনতে রান্নাঘরের দিকে চলল জরির মা,অরনী ডাকল,জরির মা?!
জ্বী?! ছোড খালা!
কি এতো হিসাব গুনো?আবারও হিসাব চাইছে?!
হ, হে নিজে যহন উড়ায়, তহন জিগাইলেও দোষ আর আমার বেলায় পাই পাই এর হিসাব লয়! বিজাইত্তা! বলেই কড়া চোখে চাইলো সে অবনীর দিকে, যেন সে-ই অপরাধী!

নবনী অরনীর দিকে চাইলেন,ইঙ্গীতময় দৃষ্টি, আপা কি বোঝাতে চান,বুঝল সে-ও! তূর্য তার বয়ফ্রেন্ড নয়, হাসবেন্ড, আর বয়ফ্রেন্ডদের দায়িত্ব জ্যোৎস্না খাওয়ানো, বৃষ্টিতে ভেজা, হাসবেন্ডের বেলায় সেটার নাম ‘কামাই করে খাওয়ানো!’ আর বৃষ্টির দিনে ঠান্ডা থেকে নিজেকে বাঁচানো যাতে আগামীকাল অফিসে যাওয়া যায়! বেতন কাজের হয়, ছুটির নয়!তবু মাঝেমাঝে একটু ওটা হলে কি এমন মহাভারত অশুদ্ধ হয়?!এসব স্বপ্ন কি কেবল প্রেমিকাদের?! স্ত্রীদের বুঝি এই শখ গুলো থাকতে নেই?!
তার মনেহলো বলেও লাভ কি?! ও এমনি থাকবে, তবুতো তূর্য মানুষ খারাপ নয়! মনেমনে সে তার এ ভাগ্য মানে ঠিকই! কি-ইবা করা যাবে!
………

এত চুপ কেন দাদু! কাকে ভাবছ?!
নাহ কিছুনা! বলে থামলেন তূর্যের দাদা! একটু পর বললেন, চার বছর হলোরে!
কিসের দাদু?
সামনের বিষুদবার তোমার দাদীর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী! বলে আবার নীরব হলেন তিনি। একটুপর যেন বাস্তবে ফিরলেন সেই ভাবে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন,বাসায় দোয়া-মিলাদ হবে, তার আগেই অরনী মারে নিয়া আসিস!কেমন? আর দাদা ভাই তুইতো আমাবস্যার চাঁদরে, এ কতদিন পর আজ তোর চেহারা দেখলাম! তুই এত কি করস?!সেইদিন কিন্তু ঐসব কাজকাম বন্ধ!
হুম দাদু! জানইতো ব্যাবসাটা একটু দাঁড় করাচ্ছি!তাই এই একটু বেশি ব্যস্ততা!
বুঝলাম! কিন্তু অনেকদিনতো বেড়াইল,এইবার নিয়া আয়!
কথা হলো সকালেই, কাল-পরশু চলে আসবে!
ও আসব মানে?একলা আসবো?!তুই আনবি না?!
বলছিলো যেতে, মানা করে দিয়েছি,
দাদু আগামী একমাস টানা ব্যস্ত আমি…. আমার আশা করলে ততদিন ওখানেই থাকতে হবে! হা…হা…হা…!
এইটা ঠিকনা দাদাভাই! তুই যা!
দাদা ও এখন আর নতুন বৌ না!
এত তাড়াতাড়ি ওরে পুরান বানাইয়া ফেললি,এইনা সেইদিন তোরে বিয়া করাইলাম?!
দু’বছর! বলে আবার হাসল তূর্য!
তাতে কি? তোগো জীবনতো এখনো শুরুই হয়নাই! দাদা আশ্চর্য হলেন, এখনই পুরান বলস?! ঝগরা হয় নাইতো আবার?! রাগ করে চলে গেছে?!
আরে নাহ! তা-না দাদু!অরনীর বলা কথাটাই হঠাৎ মনে পড়ল তার!মেয়েটা তখন এই কথাই বলেছিল তাকে!
তাইলে যা নিয়া আয় নিজে যা!
পসিবল না!প্রায় গুছিয়ে এনেছি, একটা দিনও জরুরী এখন! ওখানে যাবার অনেক ঝক্কি! আরও ক’টা দিন থাকলে ভালই, নীরবে কাজ করতে পারব!
ক্যান? কি হইছে, এই না বললি, ঝগড়া হয় নাই!
আরে না ঝগড়া না!
তাইলে?! আশ্চর্য হলেন তিনি।
কি আর বলব, আপনি এখনকার মেয়েদের জানেননা দাদু, ওদের মাথায় অর্ধেকটা হলো পাগলামী! কি সব উদ্ভট আব্দার যে করে, কোন কোনদিন জোর করে বৃষ্টিতে ভেজায়! বলে ছাদে আসো, পূর্ণিমা হচ্ছে!
কোনদিন গেছস?!
নাহ!পাগল নাকি?!
কেন যাসনা?!
তুর্য প্রসঙ্গ বাদ দিতে চাইল, বলল,কোন মানে হয় কত কাজের প্রেশার আমার! এসব করলে রেস্ট নিব কখন?!
সে তোর বৌ না?! দাদা ওকে সে সুযোগ দিলেননা।
হুম!
তাইলে?
কিন্তু আচরণ গার্লফ্রেন্ড মার্কা!
সেইটা আবার কি?
কিছুনা…. বলেই মনেমনে জিভ কাটল সে, বেশি কথা বলা হয়ে গেছে!
শুন তুর্য! আমি তোমার বাপের ও বাপ, ঐটুক ইংরাজি আমি বুঝি! মেয়েছেলে নিয়া ঘুরাঘুরি, তাইতো?!
তুর্য চুপ!
সেইটা তো আইজকাইল তোমরা নাচতে নাচতে করো,করবাইতো!তো সেইটা নিজের বৌরে নিয়া করলে কি অসুবিধা! গুনা হবে?
তুর্য তখনো চুপ!গুনাহ যে নয়,এটা সে জানে। তার এখন শুধু ক্যারিয়ার ডেভলপই ভাবনা, সময়তো আছেই, আর
তাছাড়া এসব আদিখ্যেতা মনে হয় তার!

তোমরা জানো? দাদা তখনো বলে চলেছেন,মনে লালসা নিয়া অন্য মেয়ের চেহারা দেখা হইলো পাপ! আর হাসিমুখে স্ত্রীর দিকে তাকানো হইলো সোয়াবের কাজ! কেন জানবা!এইসব কি আইজকাইল কেউ ভাবে নাকি?! ভাবলে ঐসব কি জানি বললি? কি ফেরেন্ড? ঐগুলা আমদানি হইতো নাকি?! এমন করস,তোর বৌ কিছু বলেনা?
কখনো রাগে একটু আধটু,পরে আবার নর্মাল হয়ে যায়!
হমম! বলে থামলেন তিনি। তুর্য উঠতে চাইল, তিনি বসিয়ে রেখে চুপ করে রইলেন, তূর্য মনেমনে ঝাড়ি খাওয়ার প্রস্তুতি নিলো।
বহুদিন পর গল্প করার সুযোগ আসছে, একটা কাহিনী বলব শুনবি?! একটা লম্বা বিরতি নিয়ে আশ্চর্য রকম নরম গলায় বাক্যটা বললেন তিনি,
জ্বী, বলেন দাদু,শুনছি! তুর্য জবাব দিল।

বিয়ার পর নতুন নতুন যখন তোমার দাদী আমাগো বাড়ি আসলো তখন হাত ভইরা মেন্দি আর পা ভইরা আলতা দিত!একদিন আমি রাইগা বললাম, এইসব রং চং মাইখা সং সাজো ক্যান? আর সাজবা না! সে ভ্যা কইরা কাইন্দা দিল, বলল, আমার খুব সাজার শখ,ভালো লাগে! আমি দমলাম না! চোখ গরম করে বললাম, এই বাড়ির মেয়েরা ঐসব দেয়না! আর দিবানা! সে আরও জোরে কাইন্দা দিলো। বলে থমলেন,
একটু থেমে বললেন,জীবনে আর কোনদিন সে মেন্দি-আলতা দেয় নাই!কেন জানো? শুধু আমার পছন্দ না বইলা!

কতবছর পর, একদিন তোমার মা দিতে জোর করল,সে কয়, বৌ,তোমরা লাগাও! বয়স গেছেগা এখন কি আর এইসব আমারে মানায়?!
অথচ সেইসময় তার সাজারই বয়স ছিলো, সাজলে কি এমন খারাপ হইতো! আমি দেই নাই! দিলে সে কত খুশি হইতো, নিজেরে সামলাইয়াইতো চলতো! এই সোজা কথাটা সেইদিন বুঝি নাই!

আরেকটা ঘটনা শুনো,
তোমার আব্বা তখন তার কোলে,সে একদিন পুকুর দেখাইয়া বলল,ছোটকালে কত সাতরাইছি,বহুদিন সাতরাই না! ইশ! দেখছেন? পুকুরে কি টলটলা পানি!দেখলেই ডুব দিতে মন চায়! তারপর গলা নামাইয়া লজ্জা নিয়া বলল,একদিন রাইতে আমারে নিয়া যাননা পুকুরপাড়ে, বেশিনা একটা ডুব দিবো!রাইতে তো মানুষ থাকব না! কেউ দেখবো না!
আমি তার দিকে তাকাইয়া বললাম,রাইতে পুকুরপাড়ে ভুত নামে! আসলে মিথ্যা কথা,মনে মনে ভাবতেছি ছেলের মা হইয়া গেছে অখনও শখ মিটে নাই!
এরপর, সে আর কোনদিন ঐ পুকুরে নামে নাই!

শেষবার তারে নিয়া যখন গ্রামে গেলাম, মনে আছে, পুকুর ঘেরা দিয়া মেয়েগো সাতার দেয়ার আয়োজন হইছিল? তূর্য মাথা ঝাঁকালো! বলল,কিন্তু দাদীতো তাতে যায় নাই! বাসায় ছিলো!
হুমম!তারে বললাম এখন যদি নামতে চাও নামো!সে জোরে হাইসা বলে বুইড়া বয়সে ভীমরতি ধরছে আপনেরে?!আমার বাত ভুইলা গেছেন?! ঠান্ডায় তো মইরা যাবো!
বলে আবার থামলেন তিনি, তুর্যের দিকে তাকিয়ে জানতে চাইলেন,কি বুঝলা? তারপর তুর্যের জবাবের অপেক্ষা না করেই বললেন, রমনী বড়ই আশ্চর্যরকম! এদের শখ পূরণ না হইলেও অনেক দাবীই আর চীরকাল ধইরা রাখেনা, হয় ভুলে, নয়তো শেষমেশ ঐটা না পাইয়াই অভ্যস্ত হইয়া যায়!কষ্ট পাইছে এই সামন্য কথাটাও কখনো কয় কখনো কয় না!তোমার দাদী তেমন ছিল, অরনীও এমনটাই বুঝলা,সেইজন্যই রাগে আবার ভুলে, নাইলে পার পাইতা না! ওরা সবসময় সবকথা পুরাটা কয়না, কইলে ভালো হইত, আমরা বুঝতাম, নারে দাদা?! কে জানে ক্যান কয়না!কি করবি ওরা এমনি তবুও ওঅরনী মারে এমন হইতে দিওনা!
জ্বী,তুর্য তাঁর কথা শুনে চলেছে।একটুপর আরও মোলায়েম গলায় বললেন,
এখন যদি মেন্দি আর আলতা দিয়া নদীও বানাইয়া দেই,সেইখানে হাত-পা ডুবানির জন্য সে নাইরে দাদা!
সেই পুকুরেতো আইজও আছে, থাকবো, সে তো নাই!অথচ সেদিন রাজি হইলে তারে আমি কতবড় আনন্দ দিতাম! একবার ভাবো!
এই যে তুমিও তেমন তারে ফিরাও, আমারে বলোতো তুমি না দিলে তার এইসব চাওয়াটা সে কোথায় পাইব?কে দিবো?! তুর্য জবাব পেলনা। তিনি বলে চলেছেন,আমার বিবাহ হইছিল একুশ বছর বয়সে, তোমার দাদীর বয়স ছিল বারো! তখনতো এমনই ছিল,এইসব আইন- আদালত তো ছিলোনা তখন!
এখন আমার পঁচাত্তর চলে! এই যে সেদিন তারে এগুলা দেইনাই!অথচ চাইলেই দিতে পারতাম! এইটাই মনে খুব দাগে দাদাভাই,তোমরা এরে কি বলবা জানিনা! কিন্তু আমার জইন্য এইটা হইল আফসোস! সবচেয়ে বড় আফসোস!

মূহুর্তেই সব ক্লিয়ার হলো তূর্যের কাছে,
তুর্যতোএভাবে আদৌ ভাবেনি এতদিন, তার মনে হতো,জীবন পড়ে আছে এসব করার জন্য! আসলেতো তা না! সময় পেরিয়ে গেলে এরা অর্থহীন, আর জীবন! সে তো ক্রমশ কমছে!শৈশবে চকলেট সবাই খাই, বড় হয়ে ওটা মুখে রোচেনা! আজ যেটা খুব ভালো লাগে,আগামীকাল সেটাই পুরোনো হয়ে কালের গর্ভে হারিয়ে যায়! এইই নিয়ম! চীরন্তন! স্বতঃসিদ্ধ বাস্তবতা, অরনী আজ যা চাইছে ক’বছর পর হয়তোআদৌ তা চাইবেনা! তার ভালো লাগবেনা!তখন দিতে গেলে ফিরিয়ে দেবে ঠিক দাদীর মতন! এটা দোষ না! বরং এইইতো স্বাভাবিক!
অরনীর এসব ছোটছোট পাগলাটে পাগলামি গুলো আসলে হলো অমূল্য! তার জীবনের ছন্দ! তাতে নাহয় একটুখানি সময়ের জন্য নিজের বৌয়ের বয়ফ্রেন্ডই হলো সে,ক্ষতি কি তাতে?!
দাদা গম্ভীর চালে বলে চলেছেন,জীবনে এমন ছোট ছোট ইচ্ছা পূরণ হওয়া দরকার,নাইলে পরে আফসোস ছাড়া আর কিছুই থাকেনা! বুঝলা?!
জ্বী!
উঠে ঘরে যেতেযেতে সে সিদ্ধান্ত নিলো, টাইম ম্যানেজ করে আজকালের মধ্যেই নবনীআপার বাসায় যাবে সে!
তারপর ও ফিরলে যতটুকু পারে ওর চাওয়াগুলো পূরণ করার চেষ্টা করতে হবে! এটুকু পাওয়া অরনীর অধিকার! আদিখ্যেতা নয়, মেয়েটা তার সহধর্মিনী!
দাদুর মতন ঐ ‘আফসোস’ সে কখনো করতে চায়না!

।।শেষ।।

Facebook Comments




People Came Here By Searching  :

Jokes, bangla golper boi, bangla jokes pdf, bengali jokes pdf, bangla jokes book pdf download, gopal bhanrer 111 hasir golpo, bangla jokes pdf free download, bangalir hasir golpo, bdjobs, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes app, school jokes, funny jokes dirty, jokes app, joke book, short funny jokes, jokes in english, dad jokes, funny jokes, jokes, jokes for kids, dirty jokes, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes dirty, short funny jokes, hilarious jokes, clean jokes, really funny jokes, good jokes, funniest jokes ever, funniest joke in the world, inappropriate jokes, short jokes, deez nuts jokes, blonde jokes, bad jokes, offensive jokes, pun jokes, mom jokes, little johnny jokes,

jokes dirty, hilarious jokes, jokes for adults, very funny jokes, funny jokes clean, seriously funny jokes, dad jokes, corny jokes, , seriously funny jokes, funny jokes clean, funny jokes dirty, i need a funny joke, very funny jokes in english, most hilarious joke, funny knock knock jokes, funny jokes for adults, , clean jokes that are actually funny, funniest clean joke ever, greek jokes clean, clean joke of the day, somewhat clean jokes, long clean jokes, edgy clean jokes, i need a funny joke, funny jokes for kids(10-11), sick kid jokes, funny jokes for kids: 100 hilarious jokes, funny jokes for kids(8-9), funny jokes for kids(10-11) in hindi, kids joke of the day, silly jokes, jokes and riddles, , silly jokes for adults, funny silly jokes, 25 silly jokes, crazy silly jokes, seriously funny jokes, very funny jokes, hilarious jokes, awesome jokes, Jokes, bangla golper boi, bangla jokes pdf, bengali jokes pdf, bangla jokes book pdf download, gopal bhanrer 111 hasir golpo, bangla jokes pdf free download, bangalir hasir golpo, bdjobs, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes app, school jokes, funny jokes dirty, jokes app, joke book, short funny jokes, jokes in english, dad jokes, funny jokes, jokes, jokes for kids, dirty jokes, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes dirty, short funny jokes, ilarious jokes, clean jokes, really funny jokes, good jokes, funniest jokes ever, funniest joke in the world, inappropriate jokesshort jokes, deez nuts jokes, blonde jokes, bad jokes, offensive , jokes, pun jokes, mom jokes, little johnny jokes


No comments: