Breaking

Monday, October 21, 2019

Jokes @@@@@@@@@@নজর !! @@@@@@@@@@ Best Education Page Jokes

Jokes @@@@@@@@@@নজর !!   @@@@@@@@@@ Best Education Page Jokes
ছোট একটা মেয়ে তিয়াশা। আজ তিয়াশা বায়না ধরেছে তার দাদীর কাছে ভুতের গল্প শুনবে বলে। প্রতিদিনই তিয়াশা নতুন নতুন গল্প শোনার বায়না ধরে। কখনো রাজা রানীর গল্প কখনো ইশপের গল্প। কিন্তু আজ কেনো যেনো ওর রাক্ষস খোক্কস আর ভুতের গল্প শুনতে মন চাইল। দাদীও তখন বিভিন্ন জ্বীন ভুতের গল্প শুরু করে দিত। প্রতিদিনই জ্বীন ভুতের গল্প শুনে শুনে ওর মনে জ্বীনের প্রতি একটা অন্য রকম ভালোলাগা কাজ করতো। এভাবে তিয়াশা বড় হতে থাকল আর সে তার মনে জ্বীন ভুতকে নিয়ে এক অন্য রকম অনুভূতি তৈরী করতে থাকল। যেখানে ভয়ের থেকে ভালো লাগার আগ্রহটাই বেশী কাজ করতো। সে মনে মনে কোন জ্বীনকে চাইতো তার জীবনসঙ্গী হিসেবে।তাই ছোট থেকেই সে তার চারপাশে সবসময় এক ভৌতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে রাখতো চাইতো। সবসময় সব কিছু ভৌতিকভাবে বিশ্লেষণ করতো। ওর মধ্যে ছেলেমানুষিও কম ছিল না। তার মায়ের বারন করা সত্ত্বেও নিষিদ্ধ জায়গাগুলোতে সে লুকিয়ে লুকিয়ে চলে যেত যদি একটি জ্বীন সঙ্গী পায়।কিন্তু তার আশাগুলো আাশাই থেকে যেত। জ্বীন দেখা কি যেনো তেনো কথা !
————————–———————–
মাগরিবের আযান হচ্ছে। মাথার ঘোমটা টা ঠিক করতে করতে ঘরের বাতি গুলো সব জ্বালিয়ে দিলাম।আমি তিয়াশা। দাদি সবেমাত্র ওযু করে এসে বিড়বিড় করে কি যেনো বলছে। মনে হয় কাউকে বকছেন। সন্ধ্যার এই পরিবেশ টা আমার খুব ভালো লাগে।চারিদিকে এত এত নিস্তব্ধতা, পাখিদের নিজেদের নীড়ে ফিরে যাওয়া এ যেনো এক অন্য অনুভূতি। আর আকাশ ! আকাশে কমলা রংয়ের ডুবন্ত সূর্য টা যেনো নতুন করে উদয়ের জন্য বিদায় নিচ্ছে, একটা নতুন দিনের সূচনার জন্য।মোহনীয় সেই আভাস।

–কি দেখছো জানালা দিয়ে? এভাবে কালী সন্ধ্যায় বাহিরে তাকিয়ে থাকতে হয় না। অমঙ্গল হয় রে ভাই। জানালা লাগিয়ে ওযু করে আমার সাথে নামাজ পড়। (দাদি)

–কালী সন্ধ্যা ! এ আবার কেমন সন্ধ্যা ? জীবনেও নাম শুনিনি এমন সন্ধ্যার। (আমি)
— তিয়াশা ! এভাবে বড়দের কথা নিয়ে হাসি ঠাট্টা করতে নেই। সন্ধ্যার এই সময়টা খুব খারাপ। এই সময় যতটা পারো আল্লাহর কাছে সকল খারাপ শয়তানের হাত থেকে রক্ষার জন্য আশ্রয় চাইতে হয়। বেশী বেশী দোয়া করতে হয়। ইস্তেগফার করতে হয় যেনো আল্লাহর মনে আমাদের জন্য দয়ার সঞ্চার হয়, বুঝেছো ?
যাও ওযু করে এসো। (মা)

–কলপাড়ে যেও না, বারান্দায় বালতিতে আমি পানি রেখেছি সেটা দিয়ে ওযু করে এসো। ডানে বামে কোনদিকে তাকাবে না। যেকোন শব্দই হোক না কেনো তার উৎস অবশ্যই তুমি খুজবে না, বুঝেছো ? (দাদী)

আমি মাথা নেড়ে হা সূচক ইশারা করে বের হবো তখনই মা বলল
–যেতে পারবে তো না আমি আসবো তোমার সাথে ? (মা)
–কি যে বল না মা এখানেই তো! তোমরা এমন করছো যেনো মুগ্দা বাড়ীতে গিয়ে পুকুরে ঝাপ দিয়ে পুকুরের তলদেশ থেকে স্বর্ণ, অলংকার, মুদ্রা মানে গুপ্তধন খুজে আনতে যাচ্ছি আর যেনো ফিরে আসতেই পারবো না।

–হুম বুঝেছি আপনি অনেক বড় বীরপুরুষ। সমুদ্রের তলদেশ থেকেও গুপ্তধন আনতে পারবেন।( মা)
–জী অবশ্যই তাতে কোনো সন্দেহ আছে কি ? আর মা আমি বীরপুরুষ না বীরমহিলা।

বলেই মাথা উচু করে হেঁটে বারান্দায় আসবো আর তখনই দাদী মাকে ডেকে বলছে

— শুনেছো বউ ! আমি যখন কলপাড়ে ওযু করতে গেলাম আর তখন মনে হলো পাশের নারিকেল গাছটার পিছনে কেও দাড়িয়ে আছে। আমি ভাবলাম পাশের বাড়ির রাশু, মনে হয় হাত মুখ ধুতে এসেছে, যে-ই না আমি তাকালাম দেখি কিনা একটা মস্ত বড় কালো লোমশ বিড়ালের মত প্রানী দাড়িয়ে আছে। চোখগুলো লাল লাল। কি উঁচা লম্বা ! ওটা মানু‌ষের মত উচা লম্বা, সেটা বিড়াল কখনই হতে পারে না। কি যে ছিল সেটা আল্লাহই ভালো জানেন। এটা দেখে আমার শরীরের লোমগুলো ভয়ে সব দাড়িয়ে গেল। দোয়া পড়তে পড়তে জলদি চলে এলাম।এই বয়সে স্বচোক্ষে কোন আলামত দেখলাম আমি ! না জানি কপালে আর কি কি দেখা বাকি আছে। (দাদী)

–মা আস্তে বলুন। তিয়াশা শুনলে ভয় পাবে।আসলেই ঠিক বলেছেন মা, আজ কয়দিন যাবৎ আমারও মনে হয় সন্ধ্যার পর কেমন যেনো গা ছমছমে একটা পরিবেশ। রাতে আমার কলপাড়ে গেলে মনে হয় কেও আমার পিছনে দাড়িয়ে আছে। তখন খুব ভয় হয়। (মা)

আমি দরজার আড়ালে দাড়িয়ে সব শুনলাম। শুনে এত ভালো লাগলো,ছোট থেকে কত স্বপ্ন দেখেছি বাস্তবে জ্বীনকে দেখবো বলে।জ্বীনকে সঙ্গী বানাবো বলে। জ্বীন ভুতের কথা দাদীর কাছে কম শুনিনি। গ্রামেও অনেক ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কখনো স্বচক্ষে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। যাক এইবার মনে হয় সেই ইচ্ছাও আল্লাহ পূর্ণ করবে। ছোট থেকে কত স্বপ্ন দেখতাম একটা জ্বীন সঙ্গী থাকবে বলে। বাহিরে এখনো হালকা আলো আছে, আমি বাহিরে একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে ওযু করতে সিঁড়িতে বসে পড়লাম। তখনই একটা পঁচা ময়লা আবর্জনার গন্ধ আমার নাকে লাগলো।গন্ধে মনে হচ্ছে বমি চলে আসবে। আশেপাশে তো কোনো ময়লাই ফেলা হয়নি তাহলে ? মা বাড়ির উঠান অনেক ভালো করে পরিষ্কার করে । তাহলে গন্ধ টা কিসের ?ওযু শেষে মগটা পাশে রেখে উঠবো আর তখন মনে হলো আমার পা দুটো মাটির সাথে আটকে আছে। আমি যেনো স্হির হয়ে আটকে গিয়েছি।

মুখ দিয়েও কোনো শব্দ করতে পারছি না। হতভম্ব হয়ে সামনে চেয়ে আছি। দুরে নারিকেল গাছটার নিচে কিছু একটা কালো ছায়া বিশিষ্ট দাড়িয়ে আছে। মনে হচ্ছে আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। কি সেটা ? জ্বীন ! দাদী যেটা দেখেছিল এটা কি সেই জ্বীন টা ? কিন্তু ও আমাকে ভয় দেখাচ্ছে কেনো ? ভয়ে আমার হাত পা বরফের মত ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। আমি তো ওর সাথে বন্ধুত্ব করতে চাই তাহলে ও এমন করছে কেনো? সেটা একটা লম্বা অবয়ব জাতীয়। আমার দিকেই এক পা, এক পা করে এগিয়ে আসছে। কি ভয়ংকর দেখতে ! উফ! কি বিভৎস! এত ভয়ঙ্কর জ্বীনকে আমি দেখতেও চাই না, অনুভবও করতে চাই না। দূর হয়ে যা। হে আল্লাহ ! আপনি আমাকে রক্ষা করুন। আচ্ছা ভালো কথা আয়াতুল কুরছি পড়ি।তাহলে আমার ধারের কাছেও ঘেসতে পারবে না। কিন্তু একি আমার তো সুরা মনে পড়ছে না। ভুলে গেলাম ! সেটা আমার খুব কাছে চলে আসছে। মা কেনো আমাকে খুজতে খুজতে এদিকা আসছে না? আমাকে দেখার জন্য কেনো বাহিরে বের হয়ে আসছে না ? আমার ভীষণ ভয় করছে ! ভয়ে কান্না পাচ্ছে । কিন্তু চিৎকারও করতে পারছি না।ও আল্লাহ ! এত ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা আমি অনুভূব করতে চাই না।

তখনই হঠাৎ একজন হুজুরের মত সাদা পান্জাবী পড়া বেশ লম্বা,সাদা পাগড়ী পড়া, চারিদিকে সুন্দর সুমধুর সুগন্ধ ছড়িয়ে আমার কাছে এসে বলল

–আপনি এখানে একা দাড়িয়ে কি করছেন? জানেন না সন্ধ্যায় বাহিরে বের হওয়া ভালো না ? এই সময়টা কিন্তু খুব খারাপ।যে কোন বিপদ হতে পারে। দয়াকরে মাথায় কাপড় দিয়ে ঘরের ভিতরে চলে যান।

আমি হা করে তাকিয়ে দেখছিলাম। পুরষ মানুষ এত সুন্দর হয় কি করে ! কি সুন্দর করে কথা বলছে।যেনো মুখ থেকে মুক্ত ঝড়ছে। আর এত সুন্দর সুগন্ধ ! যা আগে কখনও আমি অনুভব করিনি। কি মনোমুগ্ধকর তার কন্ঠ !মনে হয় তার কথা শুধু শুনেই যাই। কিন্তু তাকে আগে কখনও আমি এই গ্রামে দেখেছি বলে মনে হয় না।পোষাক দেখে মনে হচ্ছে মসজিদের নতুন ইমাম সাহেব হবেন হয়তো।আর সেই কালো ছায়াটা সেখানে ছিলো না, মনে হয় উনাকে দেখে ভয়ে পালিয়েছে।

–জী আপনি এক্ষুনি ভিতরে যান, বাহিরে অনেক বিপদ। সোজা চলে যাবেন পিছনে ফিরে তাকাবেন না।

আমি এক দৌড়ে ভিতরে চলে এলাম। জানালা টা হালকা খুলে তাকে আবার দেখতে চাইলাম কিন্তু সে সেখানে ছিল না। কোথায় চলে গেল ? লোকটা হুজুর টাইপ হলেও দেখতে বেশ সুদর্শন।বয়সও মনে হয় অল্প। হাওয়ার বেগে কোথা থেকে আসলো আবার ধোয়ার মত উধাও হয়ে গেল। আমার তো তাকে আবার দেখতে ইচ্ছা করছে। মনটা একটু খারাপ হয়ে গেল আর ভুলেই গেলাম কিছুক্ষণ আগে আমি বাকপ্রতিবন্দী হয়ে গিয়েছিলাম। জ্বীন এত ভয়ংকর হয় ! ওরে বাবা ! মা আর দাদীকে তো এই ঘটনার কথা বলাই যাবে না।তাহলে অনেক বকবে।
–আবার কি দেখছো? তোমাকে না বলেছি এই অসময়ে বাহিরে দেখবে না, চলে এসো। ( মা)

তখনই হিন্দুদের উলু দেওয়ার শব্দে আমি একটু কেঁপে উঠলাম। আমার ছোটবেলার বান্ধবী সুপ্রিয়াদের বাড়ি আমাদেরই বাড়ির পাশে।সুপ্রিয়া হিন্দু পরিবারের মেয়ে। কিন্তু কখনো আমরা দুজনে আমাদের বন্ধুত্বের মাঝে ধর্মকে স্হান দেইনি।
–দেখেছো বৌ ! যেই সন্ধ্যা হয় সেই ওদের উলু দেওয়া শুরু হয়। কত করে বলি ওদের হয় সন্ধ্যার আগে দেও নাহয় একটু পর, তা না ! ওরা কোনো কথাই শুনে না। ( দাদী )

–কি করবেন মা, আমরা যেমন প্রার্থনা স্বরুপ নামাজ আদায় করি ওরাও ওদের প্রার্থনা স্বরুপ উলু দেয় পূজা করে। এখানে কিছু বললে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে না ! (মা)

–হুম সবই আল্লাহর ইচ্ছা।( দাদী)

মাগরিবের নামায আদায় করে আমি দাদীকে জড়িয়ে ধরে কথা বলছিলাম আর তখন সুপ্রিয়া এসে হাজির।দাদী যদিও ওদের কিছু জিনিস পছন্দ করে না তবে সুপ্রিয়াকে বেশ পছন্দ করে।
সুপ্রিয়াও এসে দাদীকে জড়িয়ে ধরলো।
–আরে করছিস কি তোরা দুইজন ! আমাকে চেপে ধরে তো তোরা আমার দামটাই বন্ধ করে দিবি।তোরা এই বয়সেই আমাকে পরকালের চেহারা দেখিয়ে দিবি যে !

দাদীর কথা শুনে দুইজনেই হাসিতে গড়াগড়ি খেতে লাগলাম।
–এই বয়সে ? আর কত বড় হতে চাও দাদী ?বুড়োই তো হয়ে গিয়েছো।আর কয়দিন পর মরে ভুতও হয়ে যাবে। (আমি)
–তোরা কিছু জানিস, এখনও আমি দৌড় প্রতিযোগিতায় গেলে প্রথম হব।
–হুম প্রথম হবে তবে না দৌড়ানোর জন্য।
কথাগুলো তে তিনজনই হাসিতে গড়িয়ে পড়ছিলাম।
–জানিছ আজ কি হয়েছে? (দাদী)
–কি দাদী? (সুপ্রিয়া )
–সন্ধ্যায় যখন কলাপাড়ে গেলাম তখন দেখলাম একটা ইয়া লম্বা ভুত মানে জ্বীন। জীবনে কত কি যে দেখেছি ! তবে এই রকম এত ভয়ঙ্কর আগে দেখিনি। ভেবেছিলাম রাশু এসেছে। ভাগ্যিস দৌড়ে এসেছিলাম নাহলে আজ আমার ঘাড়টাই মটকে দিত।
–হ্যাঁ আর তখন তোমার নাম হতো ঘাড় মটকানো দাদী !
এই বলেই দুইজনই অট্টহাসিতে ফেটে পড়লাম।
–হ্যাঁ হ্যাঁ তোরা হেসে যা, কই আমি সাবধান করছি তোদের আর আমাকেই নিয়ে দুষ্টুমি করছিস দুষ্টের দল ! ভাগ এখান থেকে।(দাদী)

তখনই মা ধোঁয়া ওঠা চার কাপ চা বানিয়ে আনলো। আমরা চারজন গল্প করছিলাম আর মুড়ি দিয়ে চা খাচ্ছিলাম। এভাবেই আমাদের সন্ধ্যা কেটে যায়। হয় আমাদের বাড়িতে গল্পের জলসা বসে না হয় সুপ্রিয়াদের বাড়িতে।এভাবে কিছুক্ষন কথা বলতে বলতে দাদীর কাছে ভুতের গল্প, জ্বীনের গল্প শুনতে চাইলাম।দাদী বলল
–কত কত ঘটনার যে আমি সাক্ষী হয়ে আছি।জীবনে যে কত কি দেখেছি তার হিসেব নেই। তিয়াশা, তুমি কিছুক্ষন আগে যে মুগ্দা বাড়ীর পুকুরের কথা বলেছো, সেখানে অনেক অনেক আগে অনেক ভয়ানক ঘটনা ঘটতো। ছেলে মেয়ে শিশু নির্বিশেষে এমন কেও বাদ যেতো না যে পুকুরে ডুবে মারা যায়নি। ডুবে মরার আগে যে মরবে তাকে স্বপ্ন দেখাতো, নিয়ে যাবে মানে মেরে ফেলবে। প্রথম প্রথম গ্রামের মানুষ এই বিষয়টা নিয়ে এত গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু যখন দেখলো প্রতিদিনইই একজন করে মানুষ নিতে লাগলো এই মৃত্যুর জলাশয় তখন মানুষের টনক নড়ল।সবাই মিলে পুকুরটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করলো। এই পুকুর কত মায়ের যে কোল খালি করেছিল তার হিসেব নেই।আমার ঠিক মনে আছে এরপর এক রাতে গ্রামের বেশীর ভাগ মানুষ স্বপ্ন দেখলো যে তারা যদি তাদের সন্তানকে পানিতে ডুবিয়ে দেয় তাহলে অনেক ধনরত্ন পাবে। এভাবে কয়েক রাত তারা এই রকম স্বপ্ন দেখলো।সবাই একদিন ঠিক করলো যে মসজিদের হুজুরের সাথে এই বিষয়ে কথা বলে এর একটা সুরাহা করবে। তখন হুজুর বলল যদি ঐ পুকুরে একটা বড় গাভীর রক্ত দেওয়া হয় তাহলে গ্রামের মানুষ এই স্বপ্ন দেখা থেকে বেঁচে যাবে কিন্তু ভুলে যদি কেও ঐ পুকুরে নামে তাহলে সে আর ফিরে আসতে পারবে না।

–তারপর ? তারপর কি সেখানে একটা বড় গাভীর রক্ত দেওয়া হয়েছিল?কিন্তু গাভীই কেনো চেয়েছিল? গরুও তো চাইতে পারতো? ( সুপ্রিয়া)

–তা জানি না গাভী কেনো চেয়েছিল। সবাই মিলে একটা বড় গাভী জবাই দিয়ে তার রক্ত পুকুরে ফেলাতে ঐ রকম স্বপ্ন আর কেও দেখেনি,কিন্তু এরপর অনেক কেই খুজে পাওয়া যেত না। কখনো কখনো কারো মৃত দেহ পানির উপরে ভেসে উঠত আবার অনেকর উঠতো না কিন্তু তারা নিখোঁজ ই থাকতো।কতটা ভয়াবহ চিন্তা করেছো ?
–দাদী ঐ পুকুরে সেদিন ও তো একটা বাচ্চা পড়ে মারা গিয়েছে ! এর কারন টা কি ? পানির নিচে কি আছে ?
–আমার শ্বাশুড়ি মানে তোমার বড়মা বলত পুকুর ভোগ চায়, না দিলে অনেক ক্ষতি হয়। আগে শুনেছি মাঝে মাঝে সোনার নৌকা ভেসে উঠত, কিছুক্ষণ অবস্থান করে আবার পানিতে তলিয়ে যেত। আমি কখনও দেখিনি শুধু শুনেছি।(দাদী)
–তুমি কখনো স্বপ্নে কিছু দেখনি দাদী?
–হুম দেখেছিলাম, তোমার বাবাকে চেয়েছিল। তখন আমি খুব কেঁদেছিলাম। তারপর তোমার দাদা হুজুরের কথা মত একটা ছাগল জবাই দিয়ে ছাগলের রক্ত ও জবাইকৃত ছাগলকে পুকুরে ফেলে দিয়েছিল, তারপর আমি আর এমন স্বপ্ন কখনও দেখিনি।
–দাদী জানো আমরা কত খেলতে গিয়েছি চুপিচুপি ঐ পুকুরের পাশের মাঠে !
–তিয়াশা তোমাকে কত নিষেধ করতাম পুকুরের কাছে না যেতে তুমি তাও যেতে? আমার কোন কথাই তুমি শোন না। (মা)
–মা আমরা তো দুরে খেলতাম। তারপর দাদী জ্বীনের ঘটনাটা বল শুনতে অনেক ভালো লাগছে!
–আগে প্রায় ই এমন হতো গ্রামে কখনো কখনো কোন মেয়ে বা ছেলে হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যেত।
–এর কারন কি ? জ্বীন উধাও করতো ? (সুপ্রিয়া)
–হুম। জ্বীনের যাকে ভালো লাগতো তাকেই তুলে নিয়ে যেত। বিয়ে করতো। (দাদী)
–কি সাংঘাতিক ! ওরাতো দেখতে অনেক ভয়ঙ্কর তাহলে বিয়ে করতো কিভাবে? ভয় পেত না ? (আমি)
–মনে হয় না কারন জ্বীন তাদের বেশভূষা পরিবর্তন করে তার ভালোবাসার মানুষের সামনে এসে হাজির হতো তাই ভয়ের কোন সম্ভাবনাই ছিলনা । (দাদী)
–তাইই ! কত মজা ! ইশশ ! আমার যদি এই রকম একটা প্রেমিক জ্বীন থাকতো।
–তিয়াশা কথা বলার আগে একটু আশেপাশে দেখে ভেবেচিন্তে বল ! তুমি জান তুমি এখন কত ভয়ংকর একটা কথা বলেছো ? এই রকম অলুক্ষনী কথা আর কখনো বলবে না। (মা)

(চলবে)

বিঃ দ্রঃ নিচে Next >> ক্লিক করলে পরবর্তী পর্ব পাবেন..!
(কেমন হচ্ছে অবশ্যই জানাবে

Facebook Comments





People Came Here By Searching  :

Jokes, bangla golper boi, bangla jokes pdf, bengali jokes pdf, bangla jokes book pdf download, gopal bhanrer 111 hasir golpo, bangla jokes pdf free download, bangalir hasir golpo, bdjobs, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes app, school jokes, funny jokes dirty, jokes app, joke book, short funny jokes, jokes in english, dad jokes, funny jokes, jokes, jokes for kids, dirty jokes, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes dirty, short funny jokes, hilarious jokes, clean jokes, really funny jokes, good jokes, funniest jokes ever, funniest joke in the world, inappropriate jokes, short jokes, deez nuts jokes, blonde jokes, bad jokes, offensive jokes, pun jokes, mom jokes, little johnny jokes,

jokes dirty, hilarious jokes, jokes for adults, very funny jokes, funny jokes clean, seriously funny jokes, dad jokes, corny jokes, , seriously funny jokes, funny jokes clean, funny jokes dirty, i need a funny joke, very funny jokes in english, most hilarious joke, funny knock knock jokes, funny jokes for adults, , clean jokes that are actually funny, funniest clean joke ever, greek jokes clean, clean joke of the day, somewhat clean jokes, long clean jokes, edgy clean jokes, i need a funny joke, funny jokes for kids(10-11), sick kid jokes, funny jokes for kids: 100 hilarious jokes, funny jokes for kids(8-9), funny jokes for kids(10-11) in hindi, kids joke of the day, silly jokes, jokes and riddles, , silly jokes for adults, funny silly jokes, 25 silly jokes, crazy silly jokes, seriously funny jokes, very funny jokes, hilarious jokes, awesome jokes, Jokes, bangla golper boi, bangla jokes pdf, bengali jokes pdf, bangla jokes book pdf download, gopal bhanrer 111 hasir golpo, bangla jokes pdf free download, bangalir hasir golpo, bdjobs, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes app, school jokes, funny jokes dirty, jokes app, joke book, short funny jokes, jokes in english, dad jokes, funny jokes, jokes, jokes for kids, dirty jokes, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes dirty, short funny jokes, ilarious jokes, clean jokes, really funny jokes, good jokes, funniest jokes ever, funniest joke in the world, inappropriate jokesshort jokes, deez nuts jokes, blonde jokes, bad jokes, offensive , jokes, pun jokes, mom jokes, little johnny jokes

No comments: