Breaking

Monday, October 21, 2019

Jokes @@@@@@@@@@প্রায়শ্চিত্ত !! @@@@@@@@@@ Best Education Page Jokes

Jokes @@@@@@@@@@প্রায়শ্চিত্ত !!  @@@@@@@@@@ Best Education Page Jokes
নীল: চরিত্রহীনা কোথাকার…! ছিঃ

সুপ্ত: বাবই তুমি মাম্মাম কে বকা দিচ্ছো কেনো..?

নীল: চোপ্…! নষ্টার ছেলে কোথাকার। ওই..কে তোর বাবা। যেমন মা তেমন তার ছেলে। কার ছেলে তার ঠিক নেই,আর আমাকে বাবা বলছে…!থাপ্পড় দিয়ে দাত ফেলায় দিবো একবারে….!

অয়নী: খবরদার বলছি, আমাকে যা ইচ্ছে হচ্ছে বলো কিন্তু আমার ছেলের গায়ে যদি হাত দিছো তবে আমার অন্যরূপ তুমি দেখবে এবার..

সুপ্ত: বাবাই আমার মাম্মাম কে মেরোনা প্লিজ.. ও বাবাই আমার মাম্মাম কে মারছো কেনো তুমি..?

নীল: কি….! বলেই সুপ্তর দিকে এগিয়ে যেতেই অয়নী এসে নীলকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিলো।

অয়নী: বলছিনা আমার ছেলের গায়ে খবরদার হাত দিবেনা। তুমি তো আর মানুষের পর্যায়ে পড়োনা ধীরে ধীরে অমানুষ হয়ে যাচ্ছো। ছিঃ এই রকম একটা পশুকে আমি…! ভাবতেই ঘৃণা লাগছে…!
একরাশ ঘৃণা মুখে নীলের দিকে তাকিয়ে কথাগুলো বলছিলো অয়নী।

নীল ওখান থেকে উঠে এসে চিৎকার করে বললো,

নীল: কি….! কি বললি তুই…!আমার বাড়িতে দাড়িয়ে আমাকেই গালি দিচ্ছিস… তোর সাহস তো কম নয়,,তবে রে..!

অয়নীকে কষে একটা থাপ্পড় মারলো নীল। অয়নীর মসৃণ গাল মুহূর্তেই লাল হয়ে গেলো। গালের ওপর হাতের আঙ্গুলের ছাপ স্পষ্ট হয়ে আছে। দাগগুলো মুহূর্তেই রক্তবর্ণ ধারণ করলো। অয়নী নিজেকে সামলাতে না পেরে পড়ে গেলো নিচে। মসৃন গালের স্পর্শকাতর চামড়া ফেটে গেছে। সুপ্ত দৌড়ে এসে নীলের শার্টের নিচের অংশ ধরে ধাক্কাতে থাকলো আর বললো,,,,

সুপ্তঃ মাম্মামকে মারলা কেন…! তুমি পঁচা, তুমি ভালোনা।

নীলঃ আর একটা কথা বলে দেখ তুই। মার একটাও বাইরে পড়বেনা বলে দিলাম। যা দূর হ তোরা চোখের সামনে থেকে….!

চিৎকার করে বললো নীল।

সুপ্তঃ তুমি ভালোন পঁচা… সুপ্ত কাঁদতে লাগলো
নীলঃ ধ্যাৎ তে রি…! নীল রাগ সামলাতে পারলনা। ঘাড়ে হালকা ধাক্কা দিতেই সুপ্ত ও পড়ে গেলো ওর মায়ের গায়ের ওপর।

নীল রাগে গজ গজ করতে মদের বোতল হাতে বাইরে চলে গেলো…!!!

সুপ্ত অয়নীকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কাদছে। ছোটো মানুষ কল্পনাতীত ছিলো এমন কিছু হতে পারে…!

সুপ্তঃ মাম্মাম আমার বাবাই এমন করলো কেনো..? আমাকে বাবই মারলো ..!

অয়নীঃ না আব্বু, তোমার বাবাই তর্ক করা পছন্দ করেননা। তুমি তর্ক করছিলে কেনো…

সুপ্তঃ বাবাই আমাকে মেরেছে…!

সুপ্ত কেঁদেই চলেছে….!

অয়নীও বিশেষ কিছু বলতে পারছেনা। চোখ ফেটে জল আসছে বার বার।

রাত দশটা বেজে গেছে। সুপ্তকে জোর করে খাওয়া দাওয়া করিয়ে দিয়েছে অয়নী। ছেলেটা জীবনেও নীলের এমন রূপ দেখেনি। তারমনে একটাই প্রশ্ন কেনো নীল ওকে বাবা বলাতে বকা দিচ্ছিলো, ছোট্ট শিশু তাই হয়তো অনেক কিছু চোখের সামনে দেখেও অনেক কিছুই বুঝতে পারছেনা। অবশ্য অয়নীও যে দেখেছে তা নয়। আজ সন্ধ্যায় চেনা নীলকে বড্ড অচেনা লেগেছে অয়নীর।

অয়নী বারান্দায় এসে বসলো। ওরা পঞ্চম তলায় থাকে তাই রাতের আকাশ ভালোভাবে দেখতে পায়, দেখতে পায় দূরের রাস্তায় ছুটে চলা গাড়িগুলোকে..!
অয়নী একমনে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবছে,

” আচ্ছা নীল তো এমন ছিলোনা কখোনও। আমাকে তো সব থেকে ভালবাসতো ও। ভূলেও পাঁচ বছরে ও আমার সাথে জোরে কথা বলেনি আর গায়ে হাত তোলা তো দূরের কথা, কল্পনাতীত…!

নাহ্ আজ আমি ওর গায়ে হাত তোলা তে ব্যাথা পাইনি একটুও। ব্যাথা তো পেয়েছি এই বুকের মাঝে যখন আমার প্রতি নীলের চোখে দেখছিলাম তীব্র ঘৃণা….!

আচ্ছা আমি কি এমন করেছি..! আর এটা কি আমার সেই নীল যে কিনা এক বেলাও আমার সাথে কথা না বলে, না দেখে থাকতো পরতনা।

নাহ্ এটা সেই নীল নয়..! আরে একবার ঈদে বাড়ি গেছিলাম, বাবার অসুখ করেছিলো তাই ফিরতে দেরি হয়েছিলো তাই কি পাগলামিটাই না করেছিলো সেবার..!

সোজা আমাদের বাড়িতে গিয়ে হাজির ও। আমি তো দেখেই অবাক। সেখানে গিয়ে ছোটোদের
মতো কাঁদতে লেগেছিলো আমাকে দেখেই। কপাল ভালো সেবার কেও দেখতে পায়নি,

আমি ওকে বকা দিয়েছিলাম ওভাবে যাওয়ার জন্য। তখন ও ফ্যাল ফ্যাল করো তাকাচ্ছিলো আমার দিকে। আমার তো হাসি পাচ্ছিলো খুব। সেটা খুব
কষ্টে চেপে রেখে ওর পাগলামি গুলো দেখছিলাম। ওর সাথে সাথে যেনো ওর পাগলামি গুলোও বড্ড ভালোবেসে ফেলেছিলাম….!

অয়নী রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে একাই স্ব শব্দ হেসে উঠলো। কিন্তু নীলের আজকের ব্যাবহার এর কথা মনে হতেই আবার কঠিন হয়ে গেলো অয়নী।
আজ নীল অয়নীর গায়ে হাত তুলেছে একথা শুনলে কেও বিশ্বাস করবেনা সবাই ভাববে মজা করছে।

নীল আর অয়নী একে অপরের কাছে আসতে গিয়ে যে কতোটা সেক্রিফাইজ করেছে তা কারোরই জানার বাকি নেই। সবাই তো এখনও বলে যে ওদের দম আছে নয়তো এতকিছু ঘটে যাওয়ার পরও কারোর জীবন ঠিক থাকে ওরা এখনও একসাথে থাকে আবার ওদের বাচ্চাও আছে….!

একবার তো পাশের বাসার এক চাচা নীলকে বলেই ফেলেছিলো,

চাচা: বাবা তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি যদি মনে কিছু না নাও…

নীল: চাচা আপনারা আমার গুরুজন, আমার বাবার মতো।

চাচা: তাই…

নীল: আমার বাবা নাই কিন্তু আপনারা আমাকে কখনও ওনার অভাব বুঝতে দেননি। আগলে রেখেছেন আমাদের…! কিন্তু আমার বড় ভাইটা….! ছিঃ ও যদি একাজ না করতো….!

জানেন চাচা আমরা কখনও বুঝি নি যে ও এতো নিচু মানসিকতার লোক..! ওর ওই কাজের পর থেকেই আর আপনার সামনে আসতে পারিনা লজ্জায়..!

চাচা : একটু আগেই না বললা বাবার মতো ভাবো তাহলে আবার লজ্জা কিসের হু..!

জানো বাবা আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারিনা বউমা আর তুমি একসাথে থাকো…! সেদিনও তোমার চাচিকে বলছিলাম, যে এতো ঝড়, এতো কিছুর পরও কিভাবে একটা ছেলে আর মেয়ে একাসাথে থাকে…? আমার মনে হয় বাবা তুমি আর অয়নী বলেই পেরেছো নয়তো আর কারোর পক্ষে সম্ভব ছিলনা এসবের পরও একসাথে ঘর করার, একে ওপরকে শ্রদ্ধার সঙ্গে বসবাস করার…!

নীল: আপনারা ছিলেন বলেই পেরেছি…! নয়তো কবেই..!

চাচা: থাক বাবা খারাপ চিন্তা করতে নেই। আল্লাহ তোমাদের পাশে ছিলন বলেই পারলে..!এখন আশি কেমন। আমাকে আবার বাজারে যেতে হবে..

নীল: জ্বী চাচা ভালো থাকবেন। একদিন চাচিকে নিয়ে আসেন আমাদের বাসায়..

চাচা: আচ্ছা বাবা সময় করে এই দুই বুড়ো বুড়ি তোমাদের বাডিতে হানা দিবে…!

তারপর নীল সালাম দিয়ে চলে গেলো।

নীল গাড়ির চাবি না নিয়ে নিচে চলে এসেছিলো তাই অয়নী চাবি দিতে এসেই আড়ালে দাড়িয়ে সবটা শুনেছিলো। নীল পিছন দেখতেই দেখে অয়নী দাড়িয়ে আছে..!

নীল : কি হলো তুমি…!

অয়নী: এই যে স্যার আপনি আপনার গাড়ির চাবি না নিয়ে চলে এসেছিলেন। নিন ধরুন..!

নীল: ওহ্…..সরি…! মৃদু কণ্ঠে বললো ও।

অয়নী: একটা চাবি নিতে ভূলে গেলে পুরো অফিস কিভাবে সামলাবে হুম…!

নীল: একটু অয়নীর কাছে এগিয়ে গিয়ে কানের কাছে গিয়ে আস্তে আস্তে বললো, সেজন্য তো তুমি আছো, আমার সুইট হার্ট…!

অয়নী: ধুর্ সরোতো সবসময় খালি….!কখন কে চলে আসবে তার ঠিক নেই.. যাও অফিসের দেরি হয়ে যাচ্ছে….!

নীল: আর একটু থাকিনা..!

অয়নী: তাই না..! দাড়াও মজা দেখাচ্ছি…

নীল: এই না না…

অয়নী: যেতে বলেছি কিন্তু…! যাও…কড়া করে বললো অয়নী…

নীল: যাচ্ছি যাচ্ছি…! হুহ্..!

নীল বিদায় নিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলো..!
” পাগল একটা…”৷ বলেই অয়নী নিজে নিজে হেসে উঠে ওদের ফ্ল্যাটে চলে গেলো।

অথচ সেই নীল আজ অয়নীকে থাপ্পড় মেরেছে…..!

অয়নী কিছুতেই মানতে পারছেনা এসব। বারবার বুক ফেটে কান্না আসছে ওর। গতকাল রাতেও কি ভাব ছিলো ওদের দুজনের….! আর আজ কি হলো….!

অয়নী নিঃশব্দে কেঁদেই চলেছে…!

এখন মাঝরাত, চারিপাশ এখন নিস্তব্ধ। সারাদিনের ক্লান্ত শহরটা এখন গভীর ঘুমের অতলে তলিয়ে গেছে।

অয়নীর এখন সঙ্গী হলো রাতের আকাশটাকে আলোকিত করে রাখার চেষ্টায় নিমজ্জিত জোনাকি পোকা…!

রাত দুইটার দিকে বাসার কলিংবেল বেজে উঠলো। অয়নী ভয় লাগছিলো প্রথমে তারপর মনে হলো দারওয়ান তো অপরিচিত কাওকে ঢুকতে দেবে না…! তারপর মনে হলো নীল এসেছে হয়তো।

এখনও রেগে আছে বোধয়,তাই ওর নাম ধরে ডাকছেনা

অয়নী দরজা খুলতেই দেখে নীল ওর বন্ধু শিশিরের কাধে ভর দিয়ে ঝিমোচ্ছে….!

অয়নীর বুঝতে অসুবিধে হলোনা যে নীল আজ ড্রিঙ্ক করে এসেছে…! মুখ থেকে বিশ্রি গন্ধ বের হচ্ছে.!

শিশির অয়নীর দিকে মাথা নিচু করে বলছে,

শিশির: ভাবি ওকে অনেকবার আমরা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করেছি ও শোনেনি আমাদের কথা..!

অয়নী চুপ করে দাড়িয়ে আছে..

শিশির আবারও বলতে লাগলো,

শিশির: ভাবি আজ সন্ধ্যা থেকেই ও আপসেট ছিলো। কারোর সাথে কথা বলছিলনা। আমরা পরে যখন চলে আসি। গাড়িতে গিয়ে ড্রিঙ্কস করে উচ্চ গতিতে রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছিলো। পরে হাইওয়ে পুলিশ ওকে থনায় নেয়। ওখানকার ইনচার্জ অফিসার আমার বন্ধু সে ওকেও চেনে তাই আমাকে ডেকে ওকে ছেড়ো দিয়েছে।

শিশির এতো কথার বলার পর লক্ষ্য করলো অয়নী কোনো কথা বলছেনা। মাথা তুলে অয়নীর দিকে তাকাতেই শিশির আকাশ থেকে পড়লো যেনো।

অয়নীর চোখ লাল। মুখে বিষন্নতার ছাপ।অয়নীর গালে লাল দাগ হয়ে আছে।

শিশির কিছুই বুঝতে পারছেনা কি হচ্ছে এসব।
অয়নীর গায়ে আবার কে হাত তুললো…?

কোনোভাবে নীল নয়তো…! এ টাও কি সম্ভব…!

শিশির মুখ থেকে শুধু আস্তে করে একটাই শব্দ বের হয়ে আসলো,

“ভা….বি…..!”

অয়নী আর কিছু বলতে পারলনা অন্যদিক তাকিয়ে চোখের জল মুছলো।

শিশির এর মাথায় কিছুই ঢুকছেনা। নীলকে ঘরে পৌছে দিয়ে চলে গেলো।

অয়নী নীলের জুতা খুলে বাইরে রেখে আসল। নীল ঘুমিয়ে আছে আর সেদিকে অয়নী চেয়ে আছে, দেখে মনে হচ্ছে কি নিষ্পাপ মুখ অথচ…..!

হঠাৎ অয়নীর মোবাইল এ মেসেজর শব্দে অয়নী বাস্তবে ফিরলো। মেসেজ দেখা মাত্রই মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেলো।

নীলের দিকে তাকিয়ে আস্ত আস্তে বললো,

” নীল আমি তোমাকে আজ একটা সত্যি কথা বলতাম যেটা আমাকে গত দুমাস ধরে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে ভিতরটা। জানি বলার পর আমাদের সবকিছু ওলটপালট হয়ে যাবে, কিছু ঠিক থাকবেনা আর,তারপরও তোমার তো সত্যি টা জানা উচিত ছিলো..! বাট আজকের ব্যাবহারের পর আর সেটা বলবনা। তবে তোমাকে এজন্য সারাজীবন আক্ষেপ করতে হবে….!

চলবে…
ভূল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন…!



বিঃ দ্রঃ নিচে Next >> ক্লিক করলে পরবর্তী পর্ব পাবেন..!

Facebook Comments





People Came Here By Searching  :

Jokes, bangla golper boi, bangla jokes pdf, bengali jokes pdf, bangla jokes book pdf download, gopal bhanrer 111 hasir golpo, bangla jokes pdf free download, bangalir hasir golpo, bdjobs, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes app, school jokes, funny jokes dirty, jokes app, joke book, short funny jokes, jokes in english, dad jokes, funny jokes, jokes, jokes for kids, dirty jokes, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes dirty, short funny jokes, hilarious jokes, clean jokes, really funny jokes, good jokes, funniest jokes ever, funniest joke in the world, inappropriate jokes, short jokes, deez nuts jokes, blonde jokes, bad jokes, offensive jokes, pun jokes, mom jokes, little johnny jokes,

jokes dirty, hilarious jokes, jokes for adults, very funny jokes, funny jokes clean, seriously funny jokes, dad jokes, corny jokes, , seriously funny jokes, funny jokes clean, funny jokes dirty, i need a funny joke, very funny jokes in english, most hilarious joke, funny knock knock jokes, funny jokes for adults, , clean jokes that are actually funny, funniest clean joke ever, greek jokes clean, clean joke of the day, somewhat clean jokes, long clean jokes, edgy clean jokes, i need a funny joke, funny jokes for kids(10-11), sick kid jokes, funny jokes for kids: 100 hilarious jokes, funny jokes for kids(8-9), funny jokes for kids(10-11) in hindi, kids joke of the day, silly jokes, jokes and riddles, , silly jokes for adults, funny silly jokes, 25 silly jokes, crazy silly jokes, seriously funny jokes, very funny jokes, hilarious jokes, awesome jokes, Jokes, bangla golper boi, bangla jokes pdf, bengali jokes pdf, bangla jokes book pdf download, gopal bhanrer 111 hasir golpo, bangla jokes pdf free download, bangalir hasir golpo, bdjobs, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes app, school jokes, funny jokes dirty, jokes app, joke book, short funny jokes, jokes in english, dad jokes, funny jokes, jokes, jokes for kids, dirty jokes, yo mama jokes, adult jokes, funny jokes dirty, short funny jokes, ilarious jokes, clean jokes, really funny jokes, good jokes, funniest jokes ever, funniest joke in the world, inappropriate jokesshort jokes, deez nuts jokes, blonde jokes, bad jokes, offensive , jokes, pun jokes, mom jokes, little johnny jokes

No comments: